খুঁজুন
বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
আজঃ বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
শিরোনাম:
শ্রীনগর পাইলট স্কুল এন্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শ্রীনগরে মাদক সেবীর কামড়ে হাতের আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন মুন্সীগঞ্জ শহীদ মিনার এখন সিএনজি-অটোরিকশার স্ট্যান্ড মুন্সীগঞ্জে অস্ত্রসহ আওয়ামীলীগ নেতার ভাগ্নে গ্রেফতার মুন্সীগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নির্বাচন আজ বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী প্যানেল পরিচিতি সভা দুটি বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ টঙ্গীবাড়িতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ গজারিয়ায় শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক সাহায্য প্রদান প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ নাইন প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ এইট প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ সেভেন প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ সিক্স প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ ফাইভ প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ ফোর প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ থ্রী প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ টু প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ ওয়ান

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ সিক্স

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ  সিক্স

বিক্রমপুর মেইল

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

কিন্তু রেসিং কোন ফল এলোনা। কারণ অভি এক্সিডেন্ট করলো। সন্ধ্যায় অয়ন্তিকা এলো সাথে এলো চাকর ভাবলারাম। জানতে পারলাম ভ্যাবলারাম আসলে অয়ন্তিকার বন্ধু রাজীব সিনহা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। অভির মোবাইল থেকে, আমার ছাড়াও আরো ছয় সাতটি মেয়ের আপত্তিকর ভিডিও , ছবি ডিলিট করা হয়েছে। যাদেরকে ও নিয়মিত ব্লাকমেইল করতো। অভি হয়তো বাঁচবে না। বেঁচে গেলেও আইনের হাত থেকে ওর রক্ষা নেই, কারণ ওর ব্লেকমেইলের ভয়ে আত্মাহত্যা করছে অয়ন্তিকার বান্ধবি সোনালী। ওর চলে যেতেই বুবাই একটা গোলাপ ফুল নিয়ে আমাকে উপহার দিলো। আর বললো গোলাপটা তুলতে গিয়ে সে নাকি অনেক গুলো কাটার আঘাত পেয়েছেন। সেটা দেখালো। আমি জিজ্ঞেস করলাম “আপনি আমাকে ঠিক কতটা ভালোবাসেন”

ও বললো ” তোমার জন্য আমি জীবন দিতে পারি ,আবার নিতেও পারি।”

আমার চোখে জল এসে গেলো।

শ্রীনগর পাইলট স্কুল এন্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
শ্রীনগর পাইলট স্কুল এন্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর পাইলট স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং মেধা পুরস্কার-২০২৬ বিতরণ হয়েছে।শনিবার সকালে শ্রীনগর উপজেলার সদরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাছিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হাফিজুল ইসলাম খান।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন শ্রীনগর পাইলট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল হোসেন, সহকারী শিক্ষক আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মোড়ল, দপ্তর সম্পাদক শফিকুল আলম খান আজম, বিএনপি নেতা আশরাফ হোসেন মিলন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন জেমস মৃধা, সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মামুন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. রজিনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এদিন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

শ্রীনগরে মাদক সেবীর কামড়ে হাতের আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে মাদক সেবীর কামড়ে হাতের আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে এক মাদক সেবীর কামড়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার হাতের আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কুকুটিয়া ইউনিয়নের সুরদিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. সেলিমকে (৪৫) আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। ভুক্তভোগী কুকুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মুরাদ হোসেন লিটনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুরদিয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সেলিম এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জরিত। তার বিরুদ্ধে মাদক সেবন করার অভিযোগ রয়েছে। পূর্বেও তার বিরুদ্ধে এলাকায় বিচার-শালিস হয়েছে। এদিন রাতে সেলিম মাদক সেবন করে রাতে রাস্তায় বেপরোয়াভাবে চলা ফেরা করছিল। রাস্তায় মুরাদ হোসেন লিটনের হাতের আঙ্গুল কামড়ে বিচ্ছিন্ন করে দৌড়ে পালায়। পরে তাকে বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। অভিযুক্ত সেলিম বেপারী ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।

মুরাদ হোসেন লিটন জানান, রাত ১১ টার দিকে তিনি সুরদিয়া রাস্তা দিয়ে হেঁটে দাসপাড়া জলধরের দোকানে সদাই কিনতে যাচ্ছিলেন। সেলিম তাকে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ করে। নিষেধ করলে আমার ওপর আক্রমণ করে। তাকে ধরার চেষ্টা করলে সালাম চাচার বাড়ির সামনে আমার ডান হাতের আঙ্গুল (অনামিকা আঙ্গুল) কামড় দিয়ে বিচ্ছিন্ন করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. তোফায়েল আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে মাকদ সেবনের অভিযোগ রয়েছে।প্রায় দেড় মাস আগে সুরদিয়ার নজরুলের রান্না ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।সেলিমের এ ধরণের কর্মকান্ডের ঘটনায় গ্রামে অশান্তির সৃষ্টি হয়।

শ্রীনগর থানার ডিউটি অফিসার এসআই আবিদ হোসেন খান জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। আসামীকে মুন্সীগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ শহীদ মিনার এখন সিএনজি-অটোরিকশার স্ট্যান্ড

মো. নাজির হোসেন
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জ শহীদ মিনার এখন সিএনজি-অটোরিকশার স্ট্যান্ড

মুন্সীগঞ্জ শহরের পুরাতন কাচারীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এখন সিএনজি-অটোরিকশার স্ট্যান্ড। শহীদ মিনার চত্বর হয়ে উঠেছে মাদকসেবীদের অভয়ারণ্য ভূমিতে। সরেজমিনে দেখা যায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ময়লা আবজনা, বাদামের খোসা ও মাদকসেবীদের ফেলে রাখা ফেনসিডিলের বোতল যত্রতত্র ভাবে পরে আছে।

একদিকে, রাতের বেলায় নেই পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা মিনার চত্বরে। এতে সাধারণ মানুষের মতে জেগেছে নানা প্রশ্ন? কেন জেলার এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এমন বেহাল দশা। এর রক্ষণাবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের উদাসীন বলছেন। তারা সারাবছর পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন ও মাদকসেবী মুক্ত চায়।

সরেজমিনে  গিয়ে দেখা যায়, জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে ৫০ থেকে ৬০টি অটোরিকশা, মিশুক ও সিএনজি গাড়ি স্ট্যান্ড করে আছে। চত্বরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে কাগজ বাদামের খোসা, পরে আছে গাছের গাছের পাতা, পশ্চিম কর্নারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে ২৫-২৬ টি ফেনসিডিলের বোতল।

জানা যায়, শুধু একুশে ফেব্রুয়ারী এলেই শুরু হয় শহীদ মিনার ধোঁয়ামোছা ও সংস্কারের কাজ। প্রতি বছর এভাবেই চলে। বছরের বাকি সময়টায় শহীদ মিনার পড়ে থাকে অযত্ন-অবহেলায়। অটোরিকশা ও সিএনজির পাকিং হিসেবে ব্যবহার করে স্থানীয় শ্রমিক নেতারা।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি ও মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুজন হায়দার জনি বলেন, নির্মাণের পর থেকেই শহীদ মিনারটি অরক্ষিত। বারংবার স্থানীয় প্রশাসনকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করার পরেও অজ্ঞাত কারণে শহীদ মিনারের পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ গ্রহণ করেননি তারা। একদিকে সীমানা প্রাচীর না থাকায় শহীদ মিনারটি অরক্ষিত থাকায় যত্রতত্র সিএনজি ও অটোরিকশা স্ট্যান্ডে পরিনত হয়েছে শহীদ মিনার চত্ত্বর।

অপরদিকে, প্রতিদিন রাতে এখানে বসে মাদকসেবিদের আড্ডা। বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশানকে অনেকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু ফলাফল কিছু হয়নি। ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর এই স্মৃতির স্মারক শুধু ২১শে ফেব্রুয়ারিতেই দায়সারাভাবে পরিচ্ছন্ন করলে হবে না। শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষায় বছরজুড়ে তৎপর থাকতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
কি কারণে সিএনজি ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড এখান থেকে সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না সে প্রশ্ন রাখেন তিনি প্রশাসনের প্রতি। এছাড়া শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষায় স্থানীয় নাগরিকদেরও আন্তরিক ও যত্নবান হবার আহবান জানান তিনি।

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র সোহেল রানা রানু বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, আমাদের চেতনার জায়গা। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে আগে আলোর ব্যবস্থা ছিলো না। আমরা আলোর ব্যবস্থা করেছি। মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা সমসময়ই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে। কিছু মানুষ সমাজে নিকৃষ্টতম যারা এখানে মাদক সেবন করে। আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফিফা খান বলেন, আমিও দেখেছি বিষয়টি। এর আগেও আমি ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। পরিষ্কার করে সাইনবোর্ড সার্টানো হয়েছিলো। আমি আগামী আইনশৃঙ্খলা মিটিং এ বিষয়টা উপস্থাপন করবো। সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ব্যবস্থা নিবো।